Things You Should Know Before Start Blogging | Blogger Platform

blogging,best blogging platform,how to start a blog,blogging platform,blogging tips,blogging for beginners,blogging platforms,blogger,blogging platforms examples,blogger vs wordpress,blogging tutorial for beginners,how to start blogging,blogging tutorial,blogger tutorial for beginners,which blogging platform is best for making money,wordpress vs blogger,blogging advice,blogging platforms 2018,blog tutorial
Things You Should Know Before Start Blogging



Blogging শুরু করার আগে যে বিষয়গুলো আপনার জানা উচিত।

২০১৪ সালে আমি যখন ব্লগিং শুরু করি, তখন কিছুই জানতাম না। ব্লগিং এমন একটি কাজ, যেখানে আপনি প্রবেশ করলে টুকটাক সব কিছুই শেখা হয়ে যাবে। কিছু কিছু বিষয় আছে যেগুলো আপনাকে জানতেই হবে। এই রাজ্যে আপনার রাজা আপনি নিজেই। তাই এখানে সব কিছুই নিজের মনে করে কাজ করতে হবে। এখানে আপনার শিখার আগ্রহ থাকতে হবে। তাহলেই ব্লগিং এ অনেক দূর এগোতে পারবেন। ব্লগিং এ মূল বিষয়টা টাকা আয়ের উদ্দেশ্যে থাকলে চলবে না। তাহলে আপনি প্রথমেই হেরে যাবেন। ঠিক আমিও আস্তে আস্তে অনেক কিছুই শিখেছি , যা এখনো বলবৎ আছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে ব্লগিং সেক্টরে খুব কম মানুষ কাজ করে। বেশিরভাগই আউটসোর্সিং জাতীয় কাজ করে। যেখানে আপনি অন্যের কাজ করে বিনিময়ে টাকা আয় করবেন। ব্লগিং সেক্টরে জনবল কম হওয়ায় ঠিকমত নির্দেশনা পাওয়া অনেক কঠিন। তবে ভারতীয়রা অনেক এগিয়ে গেছে। তাদের কাছ থেকে অনেক কিছুই আমি শিখেছি। আপনিও যদি আমার এই লেখা পড়ে ব্লগিং আগ্রহ প্রকাশ করেন। তাহলে ছোট ভাই হিসাবে নিজের কিছু অভিজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই। আশা করি এইগুলো অনুসরণ করলে হয়ত আমার মত এত কঠিন পথ পাড়ি দিতে হবে না।

Blogging শুরু করার আগে যে বিষয়গুলো জানা উচিতঃ-

ধৈর্য ধরতে শিখুনঃ

ব্লগিং শুরু করার পর এই রাস্তায় আপনি অনেকবার হোঁচট খাবেন। তার জন্য ভেঙ্গে পড়লে চলবে না। আপনাকে বার বার উঠে দাড়াতে হবে। আমার দেখা মতে প্রথম পর্বেই অনেকেই ব্লগিং ছেড়ে দেন।

ব্লগের বিষয় নির্ধারন করুনঃ

ব্লগে আপনি কি বিষয় নিয়ে লিখবেন, সেটা আগে ঠিক করুন। যেগুলো আমরা ইংরেজীতে কীওয়ার্ড বলে থাকি। একটি কীওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে যে ব্লগগুলো তৈরী করা হয়ে থাকে, সেগুলোকে ইংরেজীতে আমরা মাক্রো-নিশ ব্লগ বলে থাকি। মাক্রো-নিশ ব্লগিং এ কাজ করলে খুবই দ্রুত সাফল্য পাওয়া যায়। এখানে বলে রাখা ভাল যে, নিজের নিশ নিজেই নির্ধারন করুন। বর্তমানে সব বিষয়ে চাহিদা আছে। যে বিষয়গুলো নিয়ে আপনার লিখতে, পড়তে, শুনতে ভালো লাগে। এবং যে বিষয় নিয়ে কাজ করলে কখনো বিরক্ত মনে হয় না। সেই বিষয়গুলো খুজে বের করুন। যেই বিষয়গুলো খুজে পাবেন, সেগুলো আপনার বিষয়, কীওয়ার্ড বা নিশ।

লেখার অভ্যাস গড়ে তুলুনঃ

ব্লগিং শুরু করার আগে যদি লেখালেখির অভ্যাস না থাকে, তাহলে যত তাড়াতাড়ি পারেন, লেখার অভ্যাস গড়ে তুলুন। কারন ব্লগিং মূল বিষয় হচ্ছে আপনার লেখা, ইংরেজীতে আমরা আর্টিক্যাল বা কন্টেন্ট বলে থাকি। একটি ব্লগের প্রধান বিষয় হচ্ছে আপনার নিজের তৈরী লেখা। এখানে দর্শককে লেখার মাধ্যমে আপনার কথাটি বোঝাতে হবে। যেটা আসলেই কষ্টকর।

সাহায্য করার মনোভাব নিয়ে লিখুনঃ

ব্লগিং আপনার লেখাগুলো অন্য কাউকে সাহায্য করতে লিখুন। এজন্য আপনার লেখাগুলো সহজ ও সুন্দর ভাষায় গুছিয়ে লিখুন, যাতে যে কেউ পড়তে পারে। আপনার লেখাগুলো পড়তে যত সহজ হবে, ব্লগে ততই দর্শক বৃদ্ধি পাবে।

যখন আপনি ব্লগিং শুরু করবেন, তখন এটাকে পেশা হিসাবে নির্ধারন করতে হবে। এখানে শেখার কোন শেষ নেই। ব্লগিং এ আপনাকে অনাবরত লিখে যেতে হবে। 

Blogging বিষয়ে কোন প্রকার প্রশ্ন ও মতামত থাকলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাবেন। আর কোন কোন বিষয়ে জানতে আগ্রহী তা জানাতে ভুলবেন না।  

5 Comments

  1. Good Article, Just I want To say Your Article Is Unique Trickyworlds

    ReplyDelete
  2. Very useful post thanks for the information .
    https://www.urduwalipoetry.com/

    ReplyDelete
  3. Good Article, Such a Great Information for the People, Thanks for the Such Amazing Article
    https://sarkariresultgov.com/latest-govt-jobs/

    ReplyDelete

Don't Spam